কালো ডিম - পর্ব ০১ (গল্প-সল্প)
বাবার ট্রান্সফার হওয়ার প্রাথমিক চিঠি আমাদের হাতে এসে পৌঁছিয়েছে। মাস দু'একের মধ্যে বাবার চাকরির ট্রান্সফরমেশনের সুবাদে আমরা সপরিবারে মেহেরপুর চলে যাবো। এই অভিজ্ঞতা আমাদের নতুন নয়। তিন বছর আগে দিনাজপুর থেকে খাগড়াছড়ির এই এলাকায় আমরা সপরিবারে এসেছিলাম। বাবা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের একজন সিনিয়র ইন্সপেক্টর। এখানকার যে বাসাটায় আমরা ভাড়া থাকি সেটা একেবারে খারাপ বললে অন্যায় হবে। হিমেল ভিলা। বেশ বড়ো-সড়ো রুম। তবে বেশ পুরনো। দোতলায় থাকি আমরা। বিল্ডিংটা দোতলারই। এলাকাটা বেশ নির্জন। নিচতলায় আগে বাড়িওয়ালারা থাকতো। গত বছর তাদের একমাত্র ছেলে হিমেল এর আত্মহত্যার পর, বাড়িওয়ালা আঙ্কেল আর আন্টি তাদের গ্রামের বাড়িতে চলে যান। মাঝে মাঝে বাবার সাথে ফোনালাপ হতে শুনেছি। ভাড়ার ব্যাপারে আঙ্কেলের তেমন কোনো আগ্রহ নেই। তবে বাবা কখনোই ভাড়া বাকি রাখেন না। হিমেল আমার বয়সে ছোট ছিলো। তবে ওর সঙ্গে আমার সম্পর্কটা অনেকটা বন্ধুর মতোই ছিলো। হিমেল বেশ রোগা-পাতলা ছিল। চুলে আর্মি কাট। মোটা কাঁচের চশমা পরতো। আমাদের বাসার পিছন দিকে খানিকটা দূরে একটা কোচিং সেন্টার আছে। আমি আর হিমেল ঐ কোচিং সেন্টারেই পড়তাম। খুব বেশি শিক্ষার্থী ছি...
Comments
Post a Comment